নিউজ ডেস্ক | রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ | পড়া হয়েছে 83 বার
কালবেলা
বেইলি রোডের কান্নাতেও কারও ‘ঘুম’ ভাঙেনি
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর বেইলি রোডে রেস্তোরাঁয় ঠাসা গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশত মানুষ প্রাণ হারানোর পর কর্তৃপক্ষের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছিল। বেরিয়ে এসেছিল ভবনটিতে থাকা রেস্তোরাঁগুলোর অনুমোদনহীনভাবে গড়ে ওঠার তথ্য। এই ধরনের অবৈধ রেস্তোরাঁ বন্ধে এসেছিল নানা সুপারিশ, শুরু হয়েছিল অভিযানও। মাত্র ১০ মাসের মধ্যেই সেই দৌড়ঝাঁপ বন্ধ হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষের ‘ঘুমিয়ে’ যাওয়ার সুযোগে ‘মৃত্যুকূপ’ হয়ে গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন রেস্তোরাঁগুলো চলছে আগের মতোই।
অনুমোদনহীন এই প্রতিষ্ঠানগুলো যে আগের মতোই চলছে, তা গত শুক্রবার রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত ‘লাভলীন রেস্টুরেন্টের’ অগ্নিকাণ্ড চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। বহুতল আবাসিক ভবনে গড়ে ওঠা রেস্তোরাঁটিতে ন্যূনতম অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ—এমন নোটিশ দেওয়া হলেও কর্ণপাত করেনি কর্তৃপক্ষ।
যুগান্তর
ঢাকায় একের পর এক ছিনতাই, চলাচলে ভয়
রাজধানীতে ছিনতাইয়ের এমন অনেক ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতে ও ভোরে চলাচল করতে মানুষ ভয় পাচ্ছেন। ঘটছে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ঢাকার কেরানীগঞ্জে ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা হয়। পুলিশ ও ঢাকার আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার ৫০টি থানা এলাকায় গত ১ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪০ দিনে অন্তত ৩৪ জন ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে মামলা করেছেন। এ সময় একজন ছিনতাইকারীর হাতে নিহত হয়েছেন। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও চারজন।
এছাড়া ব্যাংকগুলোর কাছে বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনার ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক; আদনান ইমামের ২ কোম্পানির খেলাপি ৬৮৭ কোটি টাকা, বন্ধকি সম্পত্তি নিলামে ইউসিবি পাবে মাত্র ৮০ কোটি; কয়েকটি ব্যাংকের অপরিণত সিদ্ধান্তের কারণে ডলারের দাম বাড়ছে: গভর্নর; যেভাবে এক ভুতুড়ে কোম্পানি ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে হাতিয়ে নিল ১ হাজার ১৬২ কোটি টাকা; বাংলাদেশের জলবায়ু-সহিষ্ণু উন্নয়নে ১.১৬ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের—সংবাদগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।