প্রচ্ছদ জাতীয়, জেলা সংবাদ, সংগঠন সংবাদ, স্লাইডার

শিশু তুহিন হত্যায় পরিবারের ৩ সদস্য সম্পৃক্ত: পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | পড়া হয়েছে 373 বার

শিশু তুহিন হত্যায় পরিবারের ৩ সদস্য সম্পৃক্ত: পুলিশ

সুনামগঞ্জে পাঁচ বছরের শিশু তুহিন মিয়া হত্যায় পরিবারের তিনজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় দিরাই থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, আমরা তুহিনের পরিবারের ৬-৭জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসছিলাম। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ২-৩ জনের সম্পৃক্ততা আমরা পেয়েছি। তারা হত্যার সাথে জড়িত বলে পুলিশের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেছে।

পুলিশ জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু বলা যাচ্ছে না।

পুলিশ আরও জানায়, নিহতের পিতাসহ পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন মামলার আসামি, এলাকার একাধিক প্রতিপক্ষ রয়েছে। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে ঘায়েল করতে লিপ্ত ছিল। তবে কারা কারা হত্যাকণ্ডে জড়িত এসব বিষয় এড়িয়ে যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামে রাতের আঁধারে ঘর থেকে তুলে নিয়ে শিশু তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। রোববার ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

আব্দুল বাসিতের ছেলে তুহিন মিয়া স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ জানায়, রবিবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন আবদুল মুসাব্বিরের পরিবারের লোকজন। রাত ৩টার দিকে তুহিনের চাচাতো বোন সাবিনা বেগম ঘরের দরজা খোলা দেখে চিৎকার শুরু করে।

চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ঘুম থেকে উঠে দেখেন তুহিন ঘরে নেই। খোঁজাখুঁজি করে বাড়ি থেকে কিছু দূরে মসজিদের পাশে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। এ সময় লাশের পেটে দুটি ছুরি ঢোকানো ছিল।

নিহতের আত্মীয় ইমরান হোসেন জানান, খুনিরা শিশুটির কান ও লিঙ্গ কেটে নিয়েছে। হত্যার পর তাকে গাছে ঝুলিয়ে দেয় এবং পেটে দুটি ছুরি ঢুকিয়ে দেয়।

Comments

comments